কিভাবে নিলামে অংশগ্রহন করবেন?

এই সিস্টেম ব্যবহার করে নিলামে অংশগ্রহণ করার জন্য আপনাকে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে।

ধাপ-১:  নিলামে অংশগ্রহণ করার জন্য আপনাকে লগইন করতে হবে। লগইন করার পর আপনি হোমপেইজে নিলাম বিজ্ঞপ্তির তালিকা দেখতে পাবেন। যে নিলামে অংশগ্রহণ করতে চান সে নিলামের নিচের “নিলামটি বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন” বোতামে ক্লিক করুন।


ধাপ-২:  এখানে সংশ্লিষ্ট নিলামের বিস্তারিত দেখতে পাবেন। এই নিলামে অংশগ্রহণ করতে চাইলে “নিলামটিতে অংশগ্রহণ করতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন” বোতামে ক্লিক করুন।


ধাপ-৩:  যেকোনো নিলামে অংশগ্রহণ করতে চাইলে প্রথমে ওই নিলামের দরপত্র দলিলের বিক্রয় মূল্য (আবেদন ফি) প্রদান করতে হবে। আপনি ক্যাশ/পে-অর্ডার/বিইএফটিএন-এর মাধ্যমে উক্ত আবেদন ফি প্রদান করতে পারবেন। উল্লেখ্য, পে-অর্ডার বা বিইএফটিএন-এর মাধ্যমে আবেদন ফি পরিশোধ করতে চাইলে নির্ধারিত সময়ের কমপক্ষে ৪৮ ঘন্টা আগে (ব্যাংক খোলা থাকা সাপেক্ষে) পরিশোধ করুন। নিলামের দরপত্র দলিলের বিক্রয় মূল্য প্রদান করার জন্য আপনাকে টোকেন দেওয়া হবে। এই তথ্য আপনার ইমেইলেও পাঠানো হবে। আপনি চাইলে উক্ত আবেদন ফি প্রদানের টোকেন স্লিপটি ইমেইল থেকেও ডাউনলোড করতে পারবেন।

 




ধাপ-৪:  ডাউনলোডকৃত তথ্য প্রিন্ট করুন এবং ব্যাংকে গিয়ে টাকা জমা দিন।

ধাপ-৫:  টাকা জমা দেওয়ার পর আপনি লগইন করে “আমার চলমান নিলাম” এই মেনুতে যান।


ধাপ-৬:  এখানে আপনি যে নিলামের জন্য দরপত্র দলিলের বিক্রয় মূল্য প্রদান করেছেন সেটি দেখতে পাবেন। এছাড়াও এই নিলাম সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যবস্থাপনার কাজ এই পেইজ থেকে করা যাবে। কোনো নিলামের দ্রব্য তালিকা দেখতে “নিলামটির দ্রব্য তালিকা” লিংকে ক্লিক করুন।


ধাপ-৭:  “নিলামটির দ্রব্য তালিকা” থেকে আপনি উক্ত নিলামে কোন কোন দ্রব্য অন্তর্ভুক্ত আছে তা দেখতে পাবেন।


এই নিলামে যদি আপনি বিড করতে চান তাহলে জামানত পেমেন্টের জন্য প্রয়োজনীয় টোকেন সংগ্রহ করুন। টোকেন সংগ্রহ করতে “আমার চলমান নিলাম” লিংকে গিয়ে পরবর্তী করণীয় অংশে “জামানতের টোকেন সংগ্রহ” লিংকে ক্লিক করুন। জামানতের টাকা জমা না দেওয়া পর্যন্ত নিলামের দ্রব্যের বিপরীতে আপনি কোনো অফার প্রদান করতে পারবেন না।


ধাপ-৮: এই পেইজে নিলামের জামানত প্রদান করার জন্য আপনাকে টোকেন দেওয়া হবে। আপনি ক্যাশ/পে-অর্ডার/বিইএফটিএন-এর মাধ্যমে উক্ত জামানত প্রদান করতে পারবেন। উল্লেখ্য, পে-অর্ডার বা বিইএফটিএন-এর মাধ্যমে জামানত প্রদান করতে চাইলে নির্ধারিত সময়ের কমপক্ষে ৪৮ ঘন্টা আগে (ব্যাংক খোলা থাকা সাপেক্ষে) তা পরিশোধ করুন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জামানত প্রদানে ব্যর্থ হলে এবং এর ফলে নিলামের দ্রব্যমূল্য প্রস্তাব ( প্রাইস অফার) প্রদানে ব্যর্থ হলে তার দায়ভার কোনভাবেই এপিএসসিএল নিবে না। টোকেনের তথ্য আপনার ইমেইলেও পাঠানো হবে। আপনি চাইলে ইমেইল থেকেও উক্ত টোকেন ডাউনলোড করতে পারবেন।








ধাপ-৯:
  ডাউনলোডকৃত তথ্য প্রিন্ট করুন এবং ব্যাংকে গিয়ে নিলামের জামানতের টাকা জমা দিন।

ধাপ-১০: জামানতের টাকা জমা দেওয়ার পর আপনি লগইন করে “আমার চলমান নিলাম” মেনুতে যান।



ধাপ-১১:
এখানে আপনি যে নিলামের জন্য জামানতের টাকা প্রদান করেছেন সেটার “পরবর্তী করণীয়” অংশে দেখতে পাবেন আপনাকে কী করতে হবে। জামানতের টাকা প্রদানের পর আপনাকে নিলামের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে। ডকুমেন্ট আপলোড করার জন্য “ডকুমেন্ট আপলোড” লিংকে ক্লিক করুন।



ধাপ-১২:
নিলামের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের তালিকা থেকে সকল ডকুমেন্ট আপলোড করুন। ডকুমেন্ট আপলোডের সময় সতকর্তার সাথে আপলোড করুন যেন কোন ত্রুটি না হয় বা ভুল ডকুমেন্ট আপলোড না হয়।


প্রতিটি ডকুমেন্ট আপলোড করার পর “বন্ধ করুন” বাটনে ক্লিক করুন। সকল ডকুমেন্ট আপলোড হয়ে গেলে নিচের ছবির ন্যায় দেখা যাবে। আপনি চাইলে প্রত্যেকটি ডকুমেন্ট ডাউনলোড করেও যাচাই করে দেখতে পারবেন। যদি কোন ডকুমেন্ট ভুলক্রমে আপলোড হয়ে থাকে, তবে উক্ত ডকুমেন্ট পুনরায় আপলোড করার জন্য ডকুমেন্ট আপলোড বাটনে ক্লিক করুন।


ধাপ-১৩: অতঃপর আপনাকে নিলামের ফেরতযোগ্য টাকা (জামানত) পাওয়ার জন্য ব্যাংক একাউন্ট নির্বাচন করতে হবে। এজন্য “আমার চলমান নিলাম” মেনুতে ক্লিক করে “ব্যাংক একাউন্ট নির্বাচন” লিংকে ক্লিক করুন।



ধাপ-১৪: আপনি যে ব্যাংক একাউন্টে ফেরতযোগ্য টাকা পেতে চান, তা ব্যাংক লিস্ট থেকে সিলেক্ট করুন। আপনি যেসব ব্যাংক একাউন্ট ইতোমধ্যে যুক্ত করেছেন তা লিস্টে দেখতে পারবেন এবং ডিফল্ট ব্যাংক একাউন্টটি অটোমেটিক সিলেক্টেড অবস্থায় পাবেন। কোন ব্যাংক একাউন্টই যুক্ত করা না থাকলে “ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নির্বাচন” লিংক থেকে কাঙ্ক্ষিত ব্যাংক একাউন্টটি যুক্ত করে নিন।

 


ধাপ-১৫: নিলামের দ্রব্যমূল্য প্রদান তথা প্রাইস অফার প্রদানের জন্য “আমার চলমান নিলাম” মেনুতে ক্লিক করে “দ্রব্যমূল্য প্রদান (অফার)” লিংকে ক্লিক করুন।


আপনি উক্ত নিলামে কোন কোন দ্রব্য অন্তর্ভুক্ত আছে তা দেখতে পাবেন এবং প্রতিটি আইটেমের প্রতি ইউনিটের মূল্য লিখার জন্য টেক্সটবক্স পাবেন। আপনার চাহিদা অনুযায়ী মূল্য দেওয়ার পর ডাটা সংরক্ষণ করার জন্য “সংরক্ষণ করুন” বোতামে ক্লিক করুন। উল্লেখ্য, প্রতিটি দ্রব্যের একক দর প্রদানের সাথে সাথেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে উক্ত দ্রব্যের মোট টাকা, ভ্যাট, ট্যাক্স, সর্বমোট টাকা, এবং উদ্ধৃত মূল্য (কথায়) হিসাব হয়ে যাবে।

 

ধাপ-১৬: দ্রব্যমূল্য প্রদান যথাযথভাবে হলে ই-মেইলের মাধ্যমে আপনি একটি নোটিফিকেশন পাবেন।



ধাপ-১৭: আপনি কোন আইটেমের কী মূল্য দিয়েছেন সেটি দেখতে চাইলে “আমার চলমান নিলাম” মেনুতে যান। অতঃপর বাম পাশের কলামের ভিতরের “প্রস্তাবিত দ্রব্যমূল্য” লিংকে ক্লিক করুন।



ধাপ-১৮: দরপত্র দাখিলের শেষ সময়ের পূর্বে আপনি চাইলে প্রস্তাবিত দ্রব্যমূল্য পরিবর্তন করতে পারেন। যদি মূল্য পরিবর্তন করতে চান তাহলে “দ্রব্যমূল্য প্রদান (অফার)” লিংকে ক্লিক করুন।




 
উল্লেখ্য, সর্বশেষ যে দ্রব্যমূল্য প্রস্তাব করা হবে, সেটিই “ফাইনাল প্রাইস অফার” বলে বিবেচিত হবে।